অনশন ভাঙতে রাজি সোনম, কিন্তু ফের বেঁধে দিলেন শর্ত! কী কী দাবি রাখলেন?

শিক্ষার্থীদের ওপর মামলা নয়, অনশন ভাঙতে স্পষ্ট আইনি আশ্বাসের দাবি সোনম ওয়াংচুকের

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ, নিরপেক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার দাবিতে অনশনরত আন্দোলনকারী ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক কেন্দ্রীয় সরকারকে উদ্দেশ্য করে এক চিঠি পাঠিয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা এবং ড. জিতেন্দ্র সিং-এর সঙ্গে বৈঠকের পর লিখিত এই চিঠিতে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিহিংসামূলক বা শাস্তিমূলক আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে না— সরকারের কাছ থেকে এমন সুনির্দিষ্ট এবং স্পষ্ট আশ্বাস মিললেই কেবল তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, গত রাতে হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা এসে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং অনশন ভাঙার অনুরোধ জানান। আলোচনায় মন্ত্রীরা আশ্বাস দিয়েছেন যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়সহ সংসদে একটি সার্বিক ও অর্থপূর্ণ আলোচনা আয়োজন করতে সরকার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখবে।
তবে সোনম ওয়াংচুক মনে করিয়ে দেন, গত ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত ‘চলো সংসদ’ পদযাত্রায় পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ সত্ত্বেও আন্দোলনটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ছিল। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় ৬৫ জন সংসদ সদস্য ইতোমধ্যে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং দেশের সেবায় তাঁর উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে অনশন শেষ করার আবেদন জানিয়েছেন।
চিঠিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ওয়াংচুক লেখেন,

তিনি আরও যোগ করেন, আন্দোলনকারীদের একমাত্র “অপরাধ” ছিল একটি ন্যায্য ও জবাবদিহিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার দাবি তোলা। তাই তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার হয়রানি বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করার আইনি লিখিত আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
গণতন্ত্রের মূল চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি চিঠির শেষাংশে লেখেন, “গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে যারা সরকারের সঙ্গে একমত তাদের ওপর নয়; বরং যখন তরুণ নাগরিকরা সাহস ও বিশ্বাসের সাথে কথা বলে, তাদের সঙ্গে রাষ্ট্র কী আচরণ করে—তার ওপর।”

“আমি বাঁচতে চাই। আমার শিক্ষার্থীদের মাঝে, শিক্ষায় এবং যে কাজ আমার জীবনকে সংজ্ঞায়িত করেছে—সেখানে ফিরে যেতে চাই। কিন্তু যে তরুণদের জন্য এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তাদের ভবিষ্যৎ বলি দিয়ে আমি তা করতে পারি না।”

তিনি আরও যোগ করেন, আন্দোলনকারীদের একমাত্র “অপরাধ” ছিল একটি ন্যায্য ও জবাবদিহিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার দাবি তোলা। তাই তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার হয়রানি বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করার আইনি লিখিত আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
গণতন্ত্রের মূল চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি চিঠির শেষাংশে লেখেন, “গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে যারা সরকারের সঙ্গে একমত তাদের ওপর নয়; বরং যখন তরুণ নাগরিকরা সাহস ও বিশ্বাসের সাথে কথা বলে, তাদের সঙ্গে রাষ্ট্র কী আচরণ করে—তার ওপর।”

“আমি বাঁচতে চাই। আমার শিক্ষার্থীদের মাঝে, শিক্ষায় এবং যে কাজ আমার জীবনকে সংজ্ঞায়িত করেছে—সেখানে ফিরে যেতে চাই। কিন্তু যে তরুণদের জন্য এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তাদের ভবিষ্যৎ বলি দিয়ে আমি তা করতে পারি না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!