সঞ্জিত দাস, তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি, দুরন্ত টিভি:
তেলিয়ামুড়া ও কল্যাণপুর আইসিডিএস দপ্তরের কয়েকজন আধিকারিকের অফিসে উপস্থিতি এবং সরকারি গাড়ির ব্যবহার নিয়ে স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ঘিরে জনমনে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও উঠতে শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, তেলিয়ামুড়া চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট অফিসার পৃথিলা প্রসূন দাস, কল্যাণপুর চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট অফিসার প্রদীপ দেবনাথ এবং তেলিয়ামুড়া সিডিপিও অফিসের এক সুপারভাইজার নিয়মিত নির্ধারিত অফিস সময় মেনে দপ্তরে উপস্থিত হন না। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা প্রায়শই দুপুরের ট্রেনে তেলিয়ামুড়ায় পৌঁছান এবং রেলস্টেশন থেকে সরকারি গাড়িতে করে অফিসে যান।
বৃহস্পতিবার বিষয়টির সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে সাংবাদিকরা রেলস্টেশন এলাকায় সরকারি গাড়ির উপস্থিতি লক্ষ্য করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এর জেরে সরকারি সম্পদ ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তেলিয়ামুড়ার সিডিপিও পৃথিলা প্রসূন দাস এবং সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজার জানান, বিশেষ কারণে সেদিন কিছুটা দেরি হলেও তাঁরা সাধারণত নির্ধারিত সময়েই অফিসে উপস্থিত থাকেন এবং নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে, তেলিয়ামুড়া সিডিপিও অফিসে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের খোঁজ করা হলে অফিস সূত্রে জানানো হয়, তিনি মাঠ পর্যায়ের কাজ বা ফিল্ড ভিজিটে ছিলেন। কল্যাণপুরের সিডিপিও প্রদীপ দেবনাথের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, আইসিডিএস প্রকল্পের আওতায় গর্ভবতী মহিলা, প্রসূতি মা ও শিশুদের পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা প্রদান করা হয়। ফলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যক্রম ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিয়ে ওঠা অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়েই দেখছেন সাধারণ মানুষ।
এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সমাজকল্যাণ দপ্তরের দিকে। অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা হয় কি না, সেটাই দেখার বিষয়।
